নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট আজ সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক তিনটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে।
অভিযান–১:
রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে আমদানিকারকদের দ্বারা লাইটার জাহাজ থেকে দীর্ঘদিন পণ্য খালাস না করে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে দুদক, জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম–১ এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে। একই সঙ্গে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ০৯-০৯-২০২৫ খ্রি. তারিখের স্মারক অনুযায়ী অনাপত্তি সনদ (NOC) ছাড়া লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টদের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। এ বিষয়ে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (অপারেশন), হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। সংগৃহীত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান–২:
নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে বিভিন্ন খাতে ভুয়া বিল–ভাউচার প্রস্তুত করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে হাসপাতাল থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিক পর্যালোচনায় হাসপাতালের মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হওয়ায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে বলে এনফোর্সমেন্ট টিমের কাছে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান–৩:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত সংলগ্ন সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগে দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয় পটুয়াখালী আরেকটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান ও সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে ধোলাই মার্কেট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে প্রায় ৫ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন এবং অবশিষ্ট অংশের কাজ চলমান রয়েছে। অভিযানে একজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে সড়কের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, মেকাডাম স্তর ও কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব পরিমাপ করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ জাহাঙ্গীর আলম || বার্তা সম্পাদক: শাকিল মাহমুদ শান্ত || টঙ্গী দত্তপাড়া, জহির মার্কেট, টঙ্গী গাজীপুর ঢাকা। E-mail: editorgrambarta@gmail.com যোগাযোগ : ০১৯১১-২৪৫৮৯৫ | ০১৯১৩-৩৪৪৮১৭ | ০১৭৩১-৬১৬২১৫ | ০১৯৭২-৬১৬২১৫