নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু, নিখোঁজের আশঙ্কা : তদন্তে দুটি কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে যাত্রীবাহী একটি বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষে নদী থেকে বাসটি তোলা হলেও এখনও কয়েকজন যাত্রী নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৩০ ফুট গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। রাতভর অভিযান চালিয়ে নদী থেকে বাসটি উদ্ধার করা হয় এবং বাসের ভেতর থেকেই অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১০ জন নারী, ৪ জন পুরুষ, ২ জন শিশু, রয়েছেন বলে উদ্ধারকারী সংস্থা জানিয়েছে। অন্যান্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি নদীতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন যাত্রী জানালা ভেঙে বা দরজা দিয়ে বের হয়ে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এবং অপরটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করছে। এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ জাহাঙ্গীর আলম || বার্তা সম্পাদক: শাকিল মাহমুদ শান্ত || টঙ্গী দত্তপাড়া, জহির মার্কেট, টঙ্গী গাজীপুর ঢাকা। E-mail: editorgrambarta@gmail.com যোগাযোগ : ০১৯১১-২৪৫৮৯৫ | ০১৯১৩-৩৪৪৮১৭ | ০১৭৩১-৬১৬২১৫ | ০১৯৭২-৬১৬২১৫