• রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭টি মাইন নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করল সেনাবাহিনী চুয়াডাঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দ্রুত অভিযানে ৬ আসামি গ্রেফতার দিনব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গাজীপুর সিটি প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দর্শনায় পুলিশের এসআই পরিচয়ে অভিনব প্রতারণা : দিনদুপুরে ইজিবাইক নিয়ে উধাও প্রতারক চক্র আমের মুকুলে দোল খাচ্ছে চুয়াডাঙ্গার কৃষকের স্বপ্ন : ১২২ কোটি টাকার আম উৎপাদনের সম্ভাবনা কার্পাসডাঙ্গায় বেশি দামে পেট্রোল-অকটেন বিক্রি : মধ্যরাতে ইউএনও’র অভিযান, জরিমানা ও ৫ ব্যারেল তেল জব্দ চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দর্শনায় রাতভর পুলিশের অভিযান: তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে র‌্যাবের অভিযানে ৪ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দর্শনা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আসামি গ্রেফতার : আদালতে সোপর্দ

আমের মুকুলে দোল খাচ্ছে চুয়াডাঙ্গার কৃষকের স্বপ্ন : ১২২ কোটি টাকার আম উৎপাদনের সম্ভাবনা

grambarta / ৫৮ ভিউ
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

জাহিদুল হক (বিশেষ প্রতিনিধি) : চুয়াডাঙ্গার বিস্তীর্ণ আমবাগানজুড়ে এখন বসন্তের হাওয়ায় দুলছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ, আর সেই ঘ্রাণেই যেন নতুন স্বপ্ন দেখছেন জেলার হাজারো আমচাষি। প্রকৃতির অনুকূল আবহাওয়া আর কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যায় এ বছর চুয়াডাঙ্গায় আম উৎপাদনে বড় সাফল্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রায় ২২.৩ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর প্রায় সাড়ে ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১২২ কোটি টাকা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যেই আমগাছে মুকুল এসেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। মুকুল রক্ষা করতে নিয়মিত কীটনাশক প্রয়োগ, সেচ এবং বাগানের পরিচর্যায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন তারা। কারণ, এই মুকুলই তাদের সারা বছরের আশা-ভরসা। অনেক কৃষকের মতে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আমগাছে মুকুলের পরিমাণ বেশি। ফলে ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিরিক্ত ঝড় বা বৃষ্টিপাত না হলে এই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে বলে আশাবাদী তারা। কৃষি বিভাগ বলছে, আমের মুকুল থেকে ফলন পর্যন্ত সময়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে। চুয়াডাঙ্গার আম শুধু জেলার চাহিদাই পূরণ করে না, দেশের বিভিন্ন জেলাতেও সরবরাহ করা হয়। ফলে আম মৌসুম ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। শ্রমিক, পরিবহন ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্যও এটি হয়ে ওঠে আয়ের বড় একটি সুযোগ। সব মিলিয়ে বলা যায়, আমের মুকুলে ভর করে এবার নতুন আশার আলো দেখছেন চুয়াডাঙ্গার কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া আর সঠিক পরিচর্যা অব্যাহত থাকলে এ বছরের আম মৌসুম হতে পারে জেলার কৃষি অর্থনীতির জন্য এক বড় সাফল্যের গল্প।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর