• বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুর-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার, টঙ্গীতে লিফলেট বিতরণ ভোট নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান: মিরপুরে গণসংযোগে আমিনুল হক দালাল চক্রের যোগসাজশে ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশি এনআইডি: গাজীপুরে তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য গাজীপুরে গৃহবধূ হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই র‍্যাবের যৌথ অভিযানে দুই সন্দিগ্ধ গ্রেফতার গুলশানে লেকের পাশে ছুরিকাঘাতে হত্যা : বিশেষ অভিযানে শিবচর থেকে মূল আসামি শামীম গ্রেপ্তার সাবেক স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার হিরো আলম সন্ধ্যায় পেলেন জামিন বাড্ডায় পিস্তল দিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হৃদয় পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার সাংবাদিকতায় পরিবর্তনের ছোঁয়া : উত্তরায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া কর্মশালা ১৫ বছরের ময়লার স্তূপ ভেঙে পথ খুলে দিচ্ছেন দুলাল হোসেন : ৪৪ নং ওয়ার্ডে ‘সাত রং’ রাস্তার কাজে নতুন প্রাণ! দর্শনা রেলবাজার দোকান মালিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি তোফাজ্জল, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে ধুঁকছে নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস: ৪৪ কোটি টাকার ঋণবোজায় স্তব্ধ শ্রমিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান

grambarta / ৯৭ ভিউ
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
oplus_0

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস লিমিটেড এক সময় দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় বস্ত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু বর্তমানে সরকারি সহযোগিতার অভাব ও ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে মিলটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। তথ্য অনুসারে, মিলটি যখন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) পরিচালনা করতো, তখন থেকেই ক্রমাগত লোকসানে পড়ে। পরে ২০০১ সালে শ্রমিকদের মালিকানা অংশীদার করে সরকারের সঙ্গে একটি যৌথ চুক্তি হয়। সেই সময় শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সরকারি সহযোগিতা বাস্তবে কখনোই মিলেনি। মিলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, চুক্তির সময় ১৫ কোটি টাকার ঋণ শ্রমিকদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়, যা শ্রমিকরা না বুঝে স্বাক্ষর করেন। এরপর তিন বছর মিলটি বন্ধ ছিল। পুরনো যন্ত্রপাতি দিয়ে পুনরায় উৎপাদন শুরু করার চেষ্টা করলেও কোনো আশার আলো দেখা যায়নি। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মিলটির মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। বারবার ঋণের সুদ মওকুফের আবেদন জানানো হলেও সরকারিভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে মিলটি কার্যত অচল অবস্থায় আছে। তবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সরকার যদি ঋণের সুদ মওকুফ করে কিস্তি সুবিধা দেয়, তাহলে জয়েন্ট পার্টনারের মাধ্যমে পুনরায় মিলটি চালু করা সম্ভব। মিলটি চালু হলে এলাকার হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হবে, বেকারত্ব কমবে এবং সরকারও রাজস্ব পাবে। বর্তমানে মিলটির ৮৭০ জন শেয়ারহোল্ডার আছেন। মিলের অচলাবস্থায়ও সীমিতভাবে গোডাউন ভাড়া দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে মিলটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ১৩ জন পরিচালকসহ মোট ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। স্থানীয়রা জানান, মিলটি একসময় আশপাশের এলাকার অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চার করেছিল। হাজার হাজার শ্রমিকের সংসার চলত এই মিল ঘিরে। কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেকারত্ব বেড়েছে, অনেকেই জীবিকার তাগিদে এলাকা ছেড়েছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকার যদি এই ধরনের শ্রমিক-মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে স্থানীয় শিল্প পুনরায় চাঙ্গা হবে, বেকারত্ব ও অপরাধ প্রবণতাও কমবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি সচেতন মহলের দাবি নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলের ঋণের সুদ মওকুফ ও পুনঃবিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করলে এটি আবারও টঙ্গী অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন জীবন ফিরিয়ে আনতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর