• সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যা রহস্য উদঘাটন: যৌন হয়রানির প্রতিশোধে দ্বৈত খুন, ডিবির জালে ট্রাকচালক শরীফ জীবননগরে বিএনপি–জামায়াত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইউ: জামায়াত আমিরের ভাইয়ের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা : টঙ্গী ৫৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ নাজমুল মন্ডলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত : ৪৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ নিকুঞ্জ-২ এ র‍্যাবের ভোরের ঝটিকা অভিযান : বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ চাঁদাবাজ গ্রেফতার জয়দেবপুরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে হত্যার পর পালিয়ে কুড়িগ্রামে আত্মগোপন: ২৪ ঘণ্টায় র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার মাসুদ টঙ্গীতে কভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় গ্রামীণফোন কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যু রমজানে গাজীপুরে অবৈধ গ্যাসের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান : ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫২০ আবাসিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন বিল ছাড়ের শর্তে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি : নোয়াখালীতে দুদকের ফাঁদে সোনাগাজীর PIOসহ আটক ২ কারাবন্দী স্বজনদের স্বস্তি : কাশিমপুর কারাগারে চালু হলো আধুনিক গলফকার সেবা

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যা রহস্য উদঘাটন: যৌন হয়রানির প্রতিশোধে দ্বৈত খুন, ডিবির জালে ট্রাকচালক শরীফ

grambarta / ৪১ ভিউ
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম শরীফ (৩৫) নামে এক ট্রাকচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি নিহত কিশোরীর চাচা এবং একই এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। তারা ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জামিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার পর জামিলার বোন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নেমে ডিবি পুলিশ প্রযুক্তিগত তথ্য ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শরীফকে আটক করে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে শরীফ বাজার পৌঁছে দেওয়ার অজুহাতে জামিলাদের বাড়িতে যান। ওই সময় সুফিয়া খাতুন বাড়িতে না থাকায় তিনি জামিলাকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন। কিশোরী বাধা দিয়ে তাকে চড় মারলে শরীফ অপমানিত হয়ে সেখান থেকে চলে যান। এর কয়েকদিন পর শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তিনি পুনরায় ওই বাড়িতে যান। পূর্বের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে গেলে সুফিয়া খাতুন তাকে তিরস্কার করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শরীফ ঘরে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে সুফিয়া খাতুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে চিৎকার করলে জামিলাকেও আঘাত করেন। দুজনেই গুরুতর জখম হলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। শনিবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের মরদেহ এবং পাশের সরিষাক্ষেতে জামিলার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। ঈশ্বরদী থানা ও ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা ছিল, কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে শরীফ ঘটনার বিস্তারিত স্বীকারোক্তি দেন। পাবনা জেলা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে একটি বিশেষ দল নিরলসভাবে কাজ করেছে। অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নৃশংস দ্বৈত হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর