• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সকল শুভানুধ্যায়ীকে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আবুল কালাম সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-আল মুনসুর টুটুল ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আব্দুল খালেক ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আবুল কালাম সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-বেনজির রহমান পিন্টু সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-রুবেল সরকার সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-আল আমিন সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-দুলাল হোসেন সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-আলী আহাম্মেদ টুকু সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানায় পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা-আইয়ুব আলী

হাদি হত্যা মামলার পলাতক আসামি ফয়সাল অবশেষে ভারতে আটক

grambarta / ৫৭ ভিউ
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। আটকরা হলেন পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে তারা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।

পুলিশ জানায়, তাদের কাছে আগে থেকেই বিশ্বস্ত তথ্য ছিল যে অভিযুক্তরা সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁও এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং পরে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেন। সম্প্রতি আবার বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ভারতের আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে এক ভিডিও বার্তায় ফয়সাল দাবি করেছিলেন, তিনি দুবাইয়ে অবস্থান করছেন এবং হাদি হত্যার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে তিনি ছিলেন না। তিনি আরও দাবি করেন, ওসমান হাদি তাকে মন্ত্রণালয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে সশস্ত্র হামলার শিকার হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা দুজন দুর্বৃত্ত চলন্ত অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ দিন পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, আসামিরা অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। হাদির মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় ফয়সাল করিমের মা-বাবা ও স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ছয়জন আসামি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে এতদিন পলাতক ছিলেন মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি সরাসরি গুলি চালিয়েছিলেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর