• বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুর-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার, টঙ্গীতে লিফলেট বিতরণ ভোট নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান: মিরপুরে গণসংযোগে আমিনুল হক দালাল চক্রের যোগসাজশে ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশি এনআইডি: গাজীপুরে তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য গাজীপুরে গৃহবধূ হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই র‍্যাবের যৌথ অভিযানে দুই সন্দিগ্ধ গ্রেফতার গুলশানে লেকের পাশে ছুরিকাঘাতে হত্যা : বিশেষ অভিযানে শিবচর থেকে মূল আসামি শামীম গ্রেপ্তার সাবেক স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার হিরো আলম সন্ধ্যায় পেলেন জামিন বাড্ডায় পিস্তল দিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হৃদয় পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার সাংবাদিকতায় পরিবর্তনের ছোঁয়া : উত্তরায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া কর্মশালা ১৫ বছরের ময়লার স্তূপ ভেঙে পথ খুলে দিচ্ছেন দুলাল হোসেন : ৪৪ নং ওয়ার্ডে ‘সাত রং’ রাস্তার কাজে নতুন প্রাণ! দর্শনা রেলবাজার দোকান মালিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি তোফাজ্জল, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

দালাল চক্রের যোগসাজশে ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশি এনআইডি: গাজীপুরে তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

grambarta / ১২ ভিউ
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

টঙ্গী -গাজীপুর : গাজীপুরে দালাল চক্রের সহায়তায় এক ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহ করার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে। বিষয়টি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক সনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। তদন্তে অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন জীতেন্দ্র চন্দ্র দাস। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা। তার ভারতীয় পাসপোর্ট নম্বর K 8229193 এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী জন্ম তারিখ ০৩ জানুয়ারি ১৯৬০। পিবিআই সূত্র জানায়, অভিযুক্ত জীতেন্দ্র চন্দ্র দাস ২০১৯ সালে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার পাতারটেক, উলুখোলা এলাকার একটি ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে দালাল চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশি এনআইডি তৈরি করেন। তদন্তে দেখা গেছে, এনআইডি তৈরির সময় তিনি নিজে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রদান করেননি এবং ভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছেন। আরও জানা যায়, এনআইডি তৈরিতে ব্যবহৃত জন্ম নিবন্ধন সনদের কোনো অনলাইন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। জন্ম নিবন্ধনে জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা পুবাইল উল্লেখ থাকলেও এনআইডিতে কালীগঞ্জ দেখানো হয়েছে, যা গুরুতর অসঙ্গতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পরিচয় গোপন করে জীতেন্দ্র চন্দ্র দাস বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে আসামি বা বিবাদী করে মামলা দায়েরের মাধ্যমে হয়রানির চেষ্টা করেছেন। এসব মামলার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা আদায়ের পরিকল্পনাও তার ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন অফিসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অভিযুক্ত একাধিকবার বাংলাদেশে প্রবেশ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভারতে ফেরার (বহিঃগমন) কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র বা দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারেন না। অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার দেওয়া ঠিকানায় তাকে পাওয়া যায়নি এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে এবং দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর