• বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
টঙ্গীতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর থামিয়ে বিএনপি নেতার মুক্তির দাবি: স্টেশন রোডে নেতাকর্মীদের অবস্থান বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলা নববর্ষ উদযাপন, কামরুল ইসলাম কামুর নেতৃত্বে দিনভর উৎসব পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা, টংগীতে উৎসবমুখর পরিবেশ বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ফয়সাল আহাম্মেদ বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন ৫৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী জহিরুল ইসলাম বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন এমআর আবাসিক হোটেলের স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন ৪৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নবীন হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল হালিম মোল্লা নববর্ষে উন্নয়ন, ঐক্য ও নাগরিক সেবার অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন ৪৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ শফিউদ্দিন শফি

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলা নববর্ষ উদযাপন, কামরুল ইসলাম কামুর নেতৃত্বে দিনভর উৎসব

grambarta / ১৬ ভিউ
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য উৎসব। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কামরুল ইসলাম কামুর নেতৃত্বে দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পান্তা-ইলিশ পরিবেশন এবং নানা উৎসবমুখর কার্যক্রম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদার। এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দিনভর আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন এলাকাবাসী, নববর্ষকে স্বাগত জানান এক মিলনমেলার আমেজে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কামরুল ইসলাম কামু পহেলা বৈশাখের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। বাংলা সনের উৎপত্তি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে দুটি মত প্রচলিত রয়েছে। সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মত অনুযায়ী, মুঘল সম্রাট আকবর কৃষকদের সুবিধার্থে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে একটি সৌরভিত্তিক বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেন, যা ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীকালে এটি ‘বঙ্গাব্দ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। অন্যদিকে, কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের আমলেই বাংলা সনের সূচনা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, নববর্ষের অন্যতম ঐতিহ্য ‘হালখাতা’, যেখানে ব্যবসায়ীরা পুরনো হিসাব চুকিয়ে নতুন খাতা খোলেন এবং ক্রেতাদের আপ্যায়ন করেন। এছাড়া ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ আজ বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া এক অনন্য আয়োজন। পান্তা-ইলিশ এখন নববর্ষের প্রতীকী খাবার হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যা একসময় গ্রামীণ জীবনের সাধারণ খাদ্য ছিল। দেশের বিভিন্ন স্থানে বসে বৈশাখী মেলা, যেখানে নাগরদোলা, মাটির খেলনা, বাঁশি ও পিঠা-পুলির সমাহারে মুখরিত থাকে পরিবেশ। এই দিনটি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল বাঙালির মিলনমেলায় পরিণত হয়। সবশেষে কামরুল ইসলাম কামু সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পুরনো সব দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার দিনই পহেলা বৈশাখ। উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর