• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ : অবিভক্ত বাংলার মহান নেতা স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা বজ্রপাতে ৮ জেলায় ১৫ জনের মৃত্যু টঙ্গীতে অপহরণ করে ছাদে নিয়ে নির্যাতন, ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ৯৯৯ এ ফোনে রক্ষা : থানায় অভিযোগ টঙ্গীর বনমালায় রহস্যজনক মৃত্যু: ঘর থেকে ছেলের ও রেললাইন থেকে বাবার লাশ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বড় ছেলে পুলিশ হেফাজতে যৌথ অভিযানে র‌্যাবের হাতে ‘কলা ইমরান’ গ্রেফতার, টঙ্গীতে হত্যা চেষ্টা ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি আটক টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুরে দ্বীনি শিক্ষার নতুন দিগন্ত : নুরুল ইসলাম নুরুর উদ্যোগে চালু হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা,চলমান রয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম দামুড়হুদায় মৌমাছির আক্রমণে প্রাণ গেল ভ্যানচালকের গুলশানে র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ কিশোর গ্রেফতার দর্শনায় বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, একজনের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলায় উৎসাহ : কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী মইনুল ইসলাম মনুর উদ্যোগে ৪৮ নং ওয়ার্ড আন্তঃ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ : অবিভক্ত বাংলার মহান নেতা স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা

grambarta / ২৯ ভিউ
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ২৭ এপ্রিল ২০২৬। অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, কৃষক-শ্রমিকের অকৃত্রিম বন্ধু ও বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে বাংলাদেশ যে কজন ক্ষণজন্মা নেতা পেয়েছে, তাঁদের অন্যতম ছিলেন শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক। এই মহান নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করা হচ্ছে এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। তাঁর ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ নিয়ে এখনও বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসবিদদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা বিদ্যমান। তাঁর বিচক্ষণ ও বলিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই উপমহাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। এ কে ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, অবিভক্ত বাংলার রাজনীতি বাংলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। দূরদর্শিতা ও অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে তিনি কৃষক সমাজের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হন। ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম করেন। আবুল কাশেম ফজলুল হক শুধু কৃষক সমাজের নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অখণ্ড ভারতের একজন অবিসংবাদিত নেতা। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তিনি ছিলেন সকল মানুষের নেতা। তাঁর সংবেদনশীলতা, মমতা ও রাজনৈতিক আপসহীনতা তাঁকে সর্বভারতীয় রাজনীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়। শেরে বাংলার রাজনৈতিক দর্শন এখনও আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করে। এই মহান নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে এবং গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর