• রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বর্ণিল আয়োজনে গাজীপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ উদ্বোধন, শিশুদের খেলাধুলায় উৎসাহের আহ্বান ডিবি পরিচয়ে অপহরণ আতঙ্ক বিকাশে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, দর্শনায় তোলপাড় কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণার পর ডিজিটাল অপপ্রচার : স্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ যুবদল নেতার উত্তরায় সাবেক সেনা কর্মকর্তার সম্পত্তি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বিরোধ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ গাজীপুরের টঙ্গীতে মে দিবস ও পেশাগত স্বাস্থ্য-সেফটি দিবস উদযাপন: নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে জোরালো আহ্বান চুয়াডাঙ্গায় বন্য খরগোশ শিকার: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ শিকারীর ১০ দিনের কারাদণ্ড, ৫টি খরগোশ উদ্ধার টঙ্গীতে বিএসটিআই’র মোবাইল কোর্ট : দুই প্রতিষ্ঠানে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা মহান মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানালেন ৪৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুল খালেক মহান মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানালেন ৫৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নিশাত মাহমুদ জালাল মহান মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানালেন ৪৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাজী মইনুল ইসলাম মনু

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫’শ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ

grambarta / ২৭১ ভিউ
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (১৮ আগস্ট) গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের এক প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এ অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়। যাতে মধ্যস্ততা করেন ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ও ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয় এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম। বলা হয়, নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এ মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী ছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি। ২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের অভিযোগ, এ কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন শেখ হাসিনা। তাদের এ কোম্পানিটি ডেসটিনি গ্রুপ নামে একটি চিটিং ফান্ড কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর