• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টঙ্গী বাজারে মাদক কারবারিদের হামলা: গুরুতর আহত টঙ্গী পূর্ব থানার কনস্টেবল রাহাত জীবননগরে ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য তুরাগে অটোরিক্সা চালক সাইফুল হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন: প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ২ টঙ্গীর মিঃ ফুড প্রোডাক্টসে তারিখ জালিয়াতির অভিযোগ : মেয়াদবিহীন পণ্য বিক্রির প্রমাণ দর্শনা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান : ৬৫ পিস ইয়াবাসহ বৃদ্ধ আটক বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় জাভান হোটেল মালিক গ্রেপ্তার টঙ্গীতে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ উপলক্ষে অফিসারদের ব্রিফিং, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগের নির্দেশ পুলিশ সুপারের পবিত্র হজ্বে যাওয়ার আগে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন মনোয়ার হোসেন খোকন : উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের আশ্বাস দিলেন (গাসিক) প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

grambarta / ৩০ ভিউ
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে একাধিক স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ : অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কঠোর সাজা

জাহিদুল হক, (বিশেষ প্রতিনিধি) : চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে সালাম নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুরের ছেলে। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ প্রহরায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ১০ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অপহরণ করে আসামি সালাম। পরে ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের প্রলোভন দেখায় এবং একটি কাল্পনিক কাবিননামা তৈরি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশীদ আসামি সালামের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া একই আইনের ৭ ধারায় তাকে আরও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, উভয় সাজা পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম. এম. শাহজাহান মুকুল জানান, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে ধর্ষণের যে প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই রায় তা রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আমরা এই রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং আশা করি এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগী পরিবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর